“আমি ইশান। আমি এই খামের চিঠিগুলোর খোঁজে এসেছি,” যুবকটি বলল।
“হ্যাঁ। প্রতিটি অক্ষর আমার দাদুর অজানা একটা দিক উন্মোচিত করেছে। তিনি জানতেন ভালোবাসা মানে পাওয়া নয়, বরং বাঁচিয়ে রাখা।”
রাই দীর্ঘশ্বাস ফেলল। “না। বরং কখনও সুযোগ পাইনি। আর তুমি?”
ইশান তার দিকে তাকাল। বৃষ্টির ফোঁটা তখনও পড়ছে, শহরের আলো জলে মিশে ঝলমল করছে। “আমি জানতে চাই, তুমি কি আমায় তোমার জীবনে আসতে দেবে? আমি তোমায় চিনতে চাই। কেবল চিনতে না, বরং তোমার সাথে আমার সেই চিঠির গল্পটা লিখতে চাই—যার শেষটা হবে ‘এবং তারা বাঁচতে শুরু করল’।” Sex Story In Bangla
“আসতে দিন,” বলল সে।
রাই হাতের আংটাটা দেখল—একটা সাধারণ রুপোর আংটি, যাতে খোদাই করা: “শেষ বর্ষণের পরশে দেখা, ভালোবাসার শুরু।”
ছয় মাস পর। একই বর্ষার দিন। রাই জানালায় দাঁড়িয়ে। এইবার একা নয়। ইশান পেছন থেকে এসে জড়িয়ে ধরল। বাবার দ্বিতীয় বিবাহ
একদিন সন্ধ্যায় মেরিন ড্রাইভে দাঁড়িয়ে ইশান বলল, “রাই, তুমি কি কখনও ভালোবেসেছ?”
রাই একটি পত্রিকা অফিসে সম্পাদক হিসেবে কাজ করে। বাইরে দুনিয়া তাকে সফল বলে জানে, কিন্তু ভিতরে সে সবসময় একা। জীবনের প্রতিটি অধ্যায় যেন অপূর্ণ থেকে গেল। ছোটবেলায় মাকে হারানো, বাবার দ্বিতীয় বিবাহ, সৎমায়ের উদাসীনতা—এসব তাকে বাঁচতে শিখিয়েছিল নিজের মতো করে, কিন্তু ভালোবাসতে শেখায়নি কখনও।
বাইরে বৃষ্টি থেমে গেছে। রোদ বেরিয়েছে। রাই মাথা হেলিয়ে দিল ইশানের কাঁধে। Sex Story In Bangla
“আপনি চিঠিগুলো পড়েছেন?” রাই জিজ্ঞেস করল।
বৃষ্টি তখন জোরে শুরু হয়েছে। অফিস ফুরিয়ে যাওয়ার পরও সে ডেস্কে বসে ছিল। হঠাৎ দরজায় টোকা পড়ল। “ম্যাডাম, কেউ আপনার সাথে দেখা করতে চাইছেন,” পিওন বলল।
“আজ আমাদের প্রথম সাক্ষাতের দিন, মনে আছে?” ইশান বলল।
“ভালোবাসা কি আসলেই অমর?” রাই জিজ্ঞেস করল।